Tuesday, September 22, 2026
  • সম্পর্কিত
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • Login
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
No Result
View All Result
Home ইসলাম ধর্ম

হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন: অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ

admin by admin
August 26, 2026
in ইসলাম ধর্ম, মতামত
Reading Time: 1 min read
0 0
A A
0
হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন: অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ
0
SHARES
8
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

লায়ন মো: গনি মিয়া বাবুল

হযরত মুহাম্মদ (সা.)  একজন মহান পথপ্রদর্শক। তাঁর আগমন শুধু আরবের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য এক নতুন আলোর সূচনা। এমন এক সময়ে তিনি পৃথিবীতে আগমন করেন, যখন সমাজের বিভিন্ন স্তরে নৈতিক অবক্ষয়, অন্যায়, বৈষম্য, অজ্ঞতা ও হিংসা মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। তাঁর জীবন ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ সত্য, ন্যায়, মানবতা, সাম্য ও শান্তির নতুন পথের সন্ধান পায়।

হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম মক্কায় কুরাইশ বংশে। তাঁর জন্মের পূর্বেই পিতা আবদুল্লাহ ইন্তেকাল করেন এবং শৈশবেই তিনি মাতা আমিনাকেও হারান। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁর চরিত্র গড়ে ওঠে সততা, বিশ্বস্ততা, সংযম ও মানবিকতার অসাধারণ বৈশিষ্ট্যে। নবুয়ত লাভের আগেই মক্কার মানুষ তাঁকে ‘আল-আমিন’ অর্থাৎ বিশ্বস্ত এবং ‘আস-সাদিক’ অর্থাৎ সত্যবাদী হিসেবে অভিহিত করত। তাঁর ব্যক্তিত্বের এই বৈশিষ্ট্য প্রমাণ করে, মহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার আগে তিনি নিজের জীবনকেই সেই আদর্শের বাস্তব দৃষ্টান্ত হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন।

তৎকালীন আরব সমাজে গোত্রভিত্তিক বিভাজন ছিল প্রবল। সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘস্থায়ী সংঘর্ষ ও রক্তপাত ঘটত। দুর্বলদের ওপর সবলের অত্যাচার ছিল স্বাভাবিক বিষয়। নারী ও শিশুর অধিকার ছিল অত্যন্ত সীমিত। দাসপ্রথা সমাজে প্রতিষ্ঠিত ছিল। সুদ, প্রতারণা, মদ্যপান, জুয়া ও নানা ধরনের সামাজিক অনাচার মানুষের জীবনকে গ্রাস করেছিল। কন্যাশিশুকে অবজ্ঞা করার মতো নির্মম প্রথাও সমাজের কিছু অংশে প্রচলিত ছিল। অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতা কেবল কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল।

এই অন্ধকার বাস্তবতার মধ্যেই হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর পক্ষ থেকে নবুয়ত লাভ করেন। হেরা গুহায় প্রথম ওহি নাজিলের মধ্য দিয়ে তাঁর ওপর অর্পিত হয় মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে আহ্বানের মহান দায়িত্ব। তাঁর আহ্বানের মূলকথা ছিল এক আল্লাহর ইবাদত, মানুষের প্রতি ন্যায় ও সদাচরণ এবং অন্যায় ও অসত্য থেকে বিরত থাকা। এই আহ্বান শুধু ধর্মীয় আচার পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং মানুষের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে পরিবার, সমাজ, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রজীবনে ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার পথ নির্দেশ করেছিল।

হযরত মুহাম্মদ (সা.) মানুষের মর্যাদাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর শিক্ষা ছিল মানুষকে তার বংশ, সম্পদ, ক্ষমতা বা সামাজিক অবস্থান দিয়ে বিচার করা নয়, বরং মানুষের প্রকৃত মর্যাদা তার নৈতিকতা ও কর্মে। এই দৃষ্টিভঙ্গি তৎকালীন শ্রেণি ও গোত্রভিত্তিক সমাজব্যবস্থায় এক গভীর পরিবর্তনের বার্তা বহন করেছিল। ধনী-দরিদ্র, শক্তিশালী-দুর্বল, প্রভু-দাসের মধ্যে মানবিক মর্যাদার যে মৌলিক সমতা তিনি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন, তা মানবসভ্যতার ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায়ও তাঁর ভূমিকা ছিল যুগান্তকারী। কন্যাসন্তানকে অবহেলা না করে তাদের ভালোবাসা ও সম্মানের সঙ্গে লালন-পালনের শিক্ষা দেওয়া হয়। নারীর সম্পত্তির অধিকার, বিবাহে সম্মতি, উত্তরাধিকারসহ বিভিন্ন অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পরিবারে নারীর প্রতি সদাচরণকে নৈতিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়। ফলে নারীকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দেওয়ার যে দৃষ্টিভঙ্গি তাঁর শিক্ষায় প্রতিফলিত হয়েছে, তা সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করে।

শুধু মানুষের অধিকার নয়, হযরত মুহাম্মদ (সা.) এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের প্রতি বিশেষ যত্নের শিক্ষা দিয়েছেন। এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করা, দরিদ্রকে অবহেলা করা কিংবা অসহায়ের অধিকার নষ্ট করাকে তিনি কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করেছেন। সমাজের উন্নয়ন কেবল বিত্তবানদের সমৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং দুর্বল মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার মধ্যেই একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজের প্রকৃত পরিচয় নিহিত, তাঁর শিক্ষায় এই উপলব্ধি সুস্পষ্ট।

ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সততা ও ন্যায়পরায়ণতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। মাপে ও ওজনে কম দেওয়া, প্রতারণা, অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণ এবং শোষণমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নৈতিকতা না থাকলে সমাজে বৈষম্য ও অবিচার বাড়ে। বর্তমান সময়েও এই শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সততা, ন্যায় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত না হলে সেই উন্নয়ন মানুষের প্রকৃত কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না।

হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল তাঁর ক্ষমাশীলতা। মক্কাবাসীর নির্যাতন, অপমান ও বিরোধিতার মুখেও তিনি প্রতিশোধপরায়ণতার পথ বেছে নেননি। মক্কা বিজয়ের পর তাঁর হাতে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ব্যাপক ক্ষমার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন, প্রকৃত শক্তি কেবল প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার মধ্যে নয়, বরং ক্ষমা, সংযম ও মানবিকতার মাধ্যমে হৃদয় জয় করার মধ্যেও শক্তির প্রকাশ ঘটে।

হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনে শান্তি ও সহাবস্থানের গুরুত্বও বিশেষভাবে লক্ষণীয়। বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক ও চুক্তির ক্ষেত্রে তিনি ন্যায় ও দায়িত্বশীলতার নীতি অনুসরণ করেছেন। মদিনায় একটি বহুমাত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার ও পারস্পরিক দায়িত্বের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান বিশ্বে ধর্ম, মত, জাতি ও রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে যখন বিভাজন ও সংঘাত দেখা যায়, তখন তাঁর ন্যায়ভিত্তিক সহাবস্থানের শিক্ষা নতুন করে স্মরণ করা জরুরি।

হযরত মুহাম্মদ (সা.) জ্ঞান ও চিন্তার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন। অজ্ঞতা মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক উন্নতির বড় বাধা। জ্ঞান মানুষকে সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায় এবং কল্যাণ-অকল্যাণের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে। তাই তাঁর শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানার্জন, চিন্তা ও উপলব্ধির পথে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করেছে। একটি সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেখানে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিকতার সমন্বয় ঘটে।

হযরত মুহাম্মদ  (সা.) এর চরিত্রের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল বিনয়। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশেছেন, অসহায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং নিজের জন্য বিশেষ সুবিধা দাবি করেননি। নেতৃত্বকে তিনি কর্তৃত্ব প্রদর্শনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেননি, বরং মানুষের সেবা ও কল্যাণের দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাঁর এই নেতৃত্বের দর্শন আজকের সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। কারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে হলে ক্ষমতার পাশাপাশি সততা, জবাবদিহিতা ও সেবার মানসিকতা অপরিহার্য।

আজকের পৃথিবী প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুততর হয়েছে, মানুষের জীবনযাত্রায় এসেছে নানা সুবিধা। কিন্তু একই সঙ্গে যুদ্ধ, সহিংসতা, বৈষম্য, দুর্নীতি, প্রতারণা, হিংসা, অসহিষ্ণুতা ও সামাজিক বিভাজনও মানুষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বাড়লেও অনেক ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা কমে যাচ্ছে। এই বাস্তবতায় হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা নতুন করে উপলব্ধি করার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে।

হযরত মুহাম্মদ (স.) এর  আগমনের প্রকৃত তাৎপর্য শুধু তাঁর জন্মের ঘটনা স্মরণ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর আদর্শকে ব্যক্তিজীবন ও সমাজজীবনে কতটা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে, সেটিই হওয়া উচিত আমাদের প্রধান বিবেচনা। সত্য কথা বলা, আমানত রক্ষা করা, অন্যের অধিকার সম্মান করা, দুর্বল মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, পরিবারে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এবং সমাজে ন্যায় ও মানবিকতা নিশ্চিত করার মধ্যেই তাঁর শিক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটতে পারে।

হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন তাই ইতিহাসের একটি ঘটনা মাত্র নয়, এটি মানবতার জন্য একটি নৈতিক জাগরণের সূচনা। তিনি এমন এক সমাজকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পথে পরিচালিত করেছিলেন, যে সমাজের বহু প্রচলিত অন্যায় ও বৈষম্যকে চ্যালেঞ্জ করা সহজ ছিল না। তাঁর জীবন দেখিয়েছে, পরিবর্তন শুধু শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে আসে না, সত্য, নৈতিকতা, ধৈর্য, আদর্শ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার মাধ্যমেও একটি সমাজের আমূল পরিবর্তন সম্ভব।

আজ যখন পৃথিবী নানা সংকটে জর্জরিত, তখন হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া শুধু ধর্মীয় অনুভূতির বিষয় নয়, বরং নৈতিক ও মানবিক প্রয়োজনও বটে। তাঁর শিক্ষা মানুষকে বিভেদ নয়, ঐক্যের দিকে; ঘৃণা নয়, সহমর্মিতার দিকে; অন্যায় নয়, ন্যায়ের দিকে এবং অজ্ঞতা নয়, জ্ঞানের দিকে আহ্বান জানায়।

অন্ধকারের মধ্যে আলো যেমন পথ দেখায়, তেমনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ মানবজাতির জন্য নৈতিক আলোর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর আগমনের মর্মার্থ তখনই যথাযথভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব, যখন তাঁর প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি তাঁর শিক্ষা ও আদর্শকে আমাদের চরিত্র, পরিবার, সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে বাস্তবায়নের চেষ্টা করি। সত্য, ন্যায়, মানবিকতা, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও শান্তির যে পথ তিনি দেখিয়েছেন, সেই পথেই নিহিত রয়েছে একটি সুন্দর ও কল্যাণময় সমাজ গড়ার শক্তি। তাঁর আগমন তাই অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ, আর সেই আলো আজও মানবতার পথকে আলোকিত করে চলেছে।

হযরত মুহাম্মদ (সা.)  আলোর পথপ্রদর্শক, যাঁর আগমনে শুধু একটি জাতি নয়, সমগ্র মানবতার সামনে ন্যায় ও কল্যাণের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। তাঁর আদর্শের আলোয় ব্যক্তি ও সমাজের নৈতিক জাগরণই পারে পৃথিবীকে আরও সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক করে তুলতে।  হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন শুধু  একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় নয়,এটি ছিল অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ, যে আলো যুগের পর যুগ মানবতার পথ দেখিয়ে চলেছে এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে বিশ্বমন্ডলের  সকল বাসিন্দাকে   জাগ্রত থাকার আহ্বান জানায়। মানবিক, শান্তিময়, মঙ্গলময়  ও আলোকিত  পৃথিবী প্রতিষ্ঠা করতে সর্বস্তরে আমাদের প্রিয় রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শের বাস্তবায়ন অপরিহার্য।

লেখক পরিচিতি:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (কৃষি), কেন্দ্রীয় কমিটি
সভাপতি, টেপিরবাড়ী পশ্চিমপাড়া মরহুম কাছম আলীর বাড়ী জামে মসজিদ, শ্রীপুর, গাজীপুর
যুগ্মমহাসচিব, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা), কেন্দ্রীয় কমিটি
ই-মেইল: lionganibabul@gmail.com

Post Views: 102

Share this:

  • Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
  • Share on X (Opens in new window) X
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print

Like this:

Like Loading…

Related

admin

admin

সম্পর্কিত পোস্ট

“আইনের শাসন, ক্ষমতা, বিচারহীনতা ও নাগরিক নিরাপত্তা: কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ?”

“আইনের শাসন, ক্ষমতা, বিচারহীনতা ও নাগরিক নিরাপত্তা: কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ?”

by admin
September 22, 2026
0
2

কাজী মামুনুর রহমান মাহিম “বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই”—২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম উচ্চারিত এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে যে...

মক্কা চুক্তি বা ইসলামি ন্যাটো: সৌদি আরবের কি আরও একটি ভূরাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত?

মক্কা চুক্তি বা ইসলামি ন্যাটো: সৌদি আরবের কি আরও একটি ভূরাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত?

by admin
September 22, 2026
0
27

  মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির ভূরাজনীতিতে প্রতিনিয়ত নতুন মেরুকরণ ঘটছে। সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাটোভুক্ত শক্তিশালী সামরিক শক্তির দেশ তুরস্ক এবং মুসলিম বিশ্বের একমাত্র...

লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হোষ্টেলে আজ থেকে ৯ কি ১০ বছর আগে একটি হিন্দু ছাত্র থেকে পড়াশোনা করতো,

লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হোষ্টেলে আজ থেকে ৯ কি ১০ বছর আগে একটি হিন্দু ছাত্র থেকে পড়াশোনা করতো,

by admin
September 22, 2026
0
59

লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হোষ্টেলে আজ থেকে ৯ কি ১০ বছর আগে একটি হিন্দু ছাত্র থেকে পড়াশোনা করতো,...

আমি জীবনে প্রায় দশ হাজার খাতা দেখেছি। বাংলা পরীক্ষার খাতা।

আমি জীবনে প্রায় দশ হাজার খাতা দেখেছি। বাংলা পরীক্ষার খাতা।

by admin
September 22, 2026
0
108

আমি জীবনে প্রায় দশ হাজার খাতা দেখেছি। বাংলা পরীক্ষার খাতা। লাল কালির কলম দিয়ে নম্বর দিয়েছি। কোথাও আট। কোথাও বারো।...

অপ্রতিমের চেয়ে বছর কয়েক বড় মরিয়মের মৃত্যুতে শোক, সমবেদনা বা কোনো প্রতিক্রিয়া নেই তাঁর বা তাঁর দলের

অপ্রতিমের চেয়ে বছর কয়েক বড় মরিয়মের মৃত্যুতে শোক, সমবেদনা বা কোনো প্রতিক্রিয়া নেই তাঁর বা তাঁর দলের

by admin
September 21, 2026
0
117

অপ্রতিমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। কিন্তু অপ্রতিমের চেয়ে বছর কয়েক বড় মরিয়মের...

-আগে তো আমরা পাকিস্তানী ছিলাম। জিন্নাহ পাকিস্তান না করলে কি বাংলাদেশ হতো?

-আগে তো আমরা পাকিস্তানী ছিলাম। জিন্নাহ পাকিস্তান না করলে কি বাংলাদেশ হতো?

by admin
September 21, 2026
0
151

-আগে তো আমরা পাকিস্তানী ছিলাম। জিন্নাহ পাকিস্তান না করলে কি বাংলাদেশ হতো? -তারও আগে তো ইন্ডিয়ান ছিলি? এমনকি তোদের বাপ...

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের বিভাগ সমূহ

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • “আইনের শাসন, ক্ষমতা, বিচারহীনতা ও নাগরিক নিরাপত্তা: কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ?” September 22, 2026
  • সরকারি হাসপাতালের পাশে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী September 22, 2026
  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী September 22, 2026
  • ডিসি সম্মেলনে দেওয়া নির্দেশনার অগ্রগতি জানতে চান প্রধানমন্ত্রী September 22, 2026
  • আরকান বা নামাজের ছেফত ছয়টি! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। September 22, 2026
  • গাইবান্ধার সদর উপজেলার ৫ নং বল্লমঝাড় ইউনিয়নে ভূমি অফিস স্থাপনের দাবি September 22, 2026
  • রামগড়ে সচিবের ভাই পরিচয়ে ইউএনওর কাছে লাখ টাকা দাবী, প্রতারক আটক September 22, 2026
  • নবীনগরে শেখ হাসিনার ফাঁসি দাবি করে যুবদলের সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত September 22, 2026
  • নাফ নদীর সীমান্ত সড়ক পোল্ডারের কাজ সম্পন্ন করা হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী September 22, 2026
  • মিরসরাইয়ে তিন শিক্ষক ‘গুণী শিক্ষক’ মনোনীত September 22, 2026
  • ‘ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী মব সন্ত্রাসীদের উৎখাতেই সব মানুষের নিরাপদ রাষ্ট্র সম্ভব’ পাহাড়তলী গ্রীনভিউ আবাসিক এলাকায় ঈদে আজম মাহফিলে আল্লামা রেজাউল কাউসার। September 22, 2026
  • অনৈতিক শিক্ষা কখনো একটা ভাল জাতি উপহার দিতে পারেনা-অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান এমপি September 22, 2026
  • ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ: ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনে হয়রানী ও বৈষম্যের প্রতিবাদে চার মৌজাবাসীর মানববন্ধন September 22, 2026
  • মক্কা চুক্তি বা ইসলামি ন্যাটো: সৌদি আরবের কি আরও একটি ভূরাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত? September 22, 2026
  • ৫ দিনের ক্ষুদ্র সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের বাইলেটারাল মিটিং হবে September 22, 2026
  • তাণ্ডব চালাচ্ছে টাইফুন ‘দুজুয়ান’, নিহত ২ September 22, 2026
  • নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী September 22, 2026
  • সংসদ সচিবালয় থেকে চিঠি পেলে গাজী নজরুলের বিষয়ে ব্যবস্থা: ইসি সচিব September 22, 2026
  • জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ছাড়া বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী অমিত September 22, 2026
  • কুমিল্লায় মা ও শিশু ভাতিজিতে কুপিয়ে হত্যা, যুবক আটক September 22, 2026
  • বেশি লাভের আশায় মজুদ, পচে গেল ৩০ হাজার মণ আলু September 22, 2026
  • বিএনপি নেতার প্রহারে বৃদ্ধা হাসপাতালে September 22, 2026
  • আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ইসলামপুরে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল September 22, 2026
  • সুন্দরগঞ্জে শিয়ালের কামড়ে আহতদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান September 22, 2026
  • সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়: মাদক জুয়ামুক্ত বিরামপুর গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান September 22, 2026
  •  বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের  দুবলার চরে শুঁটকির শতকোটি টাকার বাণিজ্য, নোনা জলে জেলেদের জীবন September 22, 2026
  • রংপুরে ভাড়ারদহ বিলের মৎস্য অভয়াশ্রম কচুরিপানায় ভরপুর September 22, 2026
  • পলাশবাড়ীতে সিলগালা ক্লিনিকে সরকারি ইনজেকশন, জব্দ না করেই ফের সিলগালা September 22, 2026
  • জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি: শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু September 22, 2026
  • জামালপুরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে গণশুনানী September 22, 2026

Recent Comments

    দৈনিক দেশের সংবাদ

    02 ফেব্রুয়ারি 2012, আমি নির্ভীক, আমি ভয় পাই না, আমি দেশের কথা বলব, স্বাধীনতার কথা বলব, জনগণের কথা বলব। এর সাহসী সাংবাদিকতা, সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু এবং অনন্য বিন্যাস এবং নকশা সহ উপস্থাপনার কারণে, দেশের সংবাদ দ্রুত মানুষের হৃদয় জয় করে, এমনকি সবচেয়ে পরিশীলিত এবং দূরদর্শী পাঠকদের আনুগত্য বাড়িয়ে তোলে।

    আমাদের অনুসরণ করো

    প্রশাসক

      [wps_visitor_counter]

      [wps_visitor_counter]

      বিষয়শ্রেণী দ্বারা ব্রাউজ করুন

      • /প্রবাসী খবর
      • অপরাধ
      • আইন/আদালত
      • আলোচিত নিউজ/ছবি
      • ইতিহাসের পাতায়
      • ইসলাম ধর্ম
      • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
      • করোনাভাইরাস
      • খুলনা বিভাগ
      • খেলা ধুলা
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চাকরি
      • জাতীয়
      • জেনেনিন আপনার রাশিফল
      • ঢাকা বিভাগ
      • তথ্যপ্রযুএি
      • নামাজের সূচি
      • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
      • ন্তর্জাতিক
      • প্রশাসন
      • বরিশাল বিভাগ
      • বাণিজ্য
      • বাংলাদেশ
      • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
      • বিনোদন
      • বিভাগ সমূহ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বিশ্ব
      • ভারত/কলিকাতা
      • মতামত
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • রংপুর বিভাগ
      • রাজধানী ঢাকা
      • রাজনীতি
      • রাজশাহী বিভাগ
      • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
      • লাইফস্টাইল
      • শিক্ষা
      • স।রাদেশ
      • সর্বশেষ
      • সাংবাদিক/মিডিয়া
      • সিলেট বিভাগ
      • স্বাস্থ্য
      • হিন্দু সহ অন্যান্য
      • হোম
      “আইনের শাসন, ক্ষমতা, বিচারহীনতা ও নাগরিক নিরাপত্তা: কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ?”

      “আইনের শাসন, ক্ষমতা, বিচারহীনতা ও নাগরিক নিরাপত্তা: কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ?”

      September 22, 2026
      সরকারি হাসপাতালের পাশে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

      সরকারি হাসপাতালের পাশে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

      September 22, 2026
      জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

      জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

      September 22, 2026
      • সম্পর্কিত
      • যোগাযোগ
      • শর্তাবলী
      • গোপনীয়তা নীতি
      • বিজ্ঞাপন দিন

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      Welcome Back!

      Login to your account below

      Forgotten Password?

      Retrieve your password

      Please enter your username or email address to reset your password.

      Log In
      No Result
      View All Result
      • হোম
      • সর্বশেষ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বাংলাদেশ
      • করোনাভাইরাস
      • রাজনীতি
      • বিশ্ব
      • বাণিজ্য
      • বিভাগ সমূহ
        • ঢাকা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
        • খুলনা বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • চাকরি
      • খেলা ধুলা
      • বিনোদন
      • মতামত
      • লাইফস্টাইল

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      %d