প্রথম তিন ওভারেই তিন টপ-অর্ডারকে হারিয়ে ধুঁকতে থাকা ফরচুন বরিশাল বড় পুঁজি গড়তে পারবে এটা হয়তো তখনো ভাবতে পারেনি কেউ।
সেই কঠিন কাজটা দারুণভাবে সম্পন্ন করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকার। দুজনেই ঝড়ো ফিফটি পেয়েছেন। শেষদিকে শোয়েব মালিকও তাণ্ডব চালিয়েছেন, যার বদৌলতে নির্ধারিত ওভার শেষে দুর্দান্ত ঢাকাকে ৪ উইকেটে ১৯০ রানের বড় লক্ষ্য দিয়েছে বরিশাল।
শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ মিলে দলীয় ১৯ রানেই ভেঙে দেন ফরচুন বরিশালের টপঅর্ডার। কিন্তু এর পরের গল্পটা কেবলই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকারের।
অথচ মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত ঢাকার শুরুটা ছিল বেশ দুর্দান্ত। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ৪ রান করা তামিম ইকবালকে শিকার করেন শরিফুল । পরের ওভারে এসে দুই উইকেট তুলে নেন তাসকিন। প্রথম বলেই আহমেদ শেহজাদকে (১০) অ্যালেক্স রসের ক্যাচে পরিণত করেন ঢাকার অধিনায়ক। পঞ্চম বলে এসে উড়িয়ে দেন মুশফিকুর রহিমের (১) স্টাম্প।
চাপের মুখে থাকা বরিশালের হাল ধরেন সৌম্য ও মাহমুদুল্লাহ। দুজনে মিলে চতুর্থ উইকেটে যোগ করেন ১৩৯ রানের জুটি। এর মাঝে দুজনেই পান ফিফটির দেখা। সৌম্য ৩২ ও মাহমুদউল্লাহ ৩৭ বলে স্পর্শ করেন। এরপর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তারা। ১৭তম ওভারের শেষ বলে মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন শরিফুল। ৪৭ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৩ রানে আউট হন মাহমুদউল্লাহ।
শেষ পর্যন্ত তাণ্ডব চালিয়ে ৪৮ বলে ৪ চার ও ৬ ছক্কায় ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন সৌম্য। অন্যদিকে ১০ বলে অপরাজিত ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন শোয়েব মালিক। ঢাকার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন-শরিফুল।








