টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এটি একটি পাবলিক কোম্পানি যার শতভাগ মালিকানা বাংলাদেশ সরকার। টেলিটক-এর প্রকৃত মালিক এই দেশের জনগণ। কিন্তু এই কোম্পানি পরিচালনার মূল দায়িত্বে রয়েছেন বিটিসিএল থেকে লিয়েনে/ প্রেষণে আসা কিছু কর্মকর্তা। সরকারি চাকুরিবিধি অনুযায়ী কোন কর্মকর্তা অন্য কোন সংস্থায় প্রেষণে গেলে সে তাঁর মুল সংস্থায় যে বেতন পাবেন অন্য কোন সংস্থায় প্রেষণে গেলেও সেই বেতনই পাবেন। দেশের সকল সংস্থায় এই নিয়ম চালু থাকলেও টেলিটকে প্রেষণে এসে তাঁরা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে মূল বেতনের সাথে অতিরিক্তভাবে মূল বেতনের সমান “কোম্পানি ভাতা” নিচ্ছেন। মূল বেতনের বাইরে অতিরিক্ত যেকোন ভাতা নেওয়ার ক্ষেত্রে “অর্থ মন্ত্রণালয়ের” অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক থাকলেও টেলিটকে বিটিসিএল থেকে আসা ম্যানেজমেন্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের কোন অনুমোদন না নিয়ে ইতোমধ্যে তাঁরা টেলিটকের ২,১৩,৮৯,৯৯৭/= (দুই কোটি তের লাখ উননব্বই হাজার নয়শত সাতানব্বই টাঁকা) আত্মসাৎ করেছে (কপি সংযুক্ত)।
“অর্থ মন্ত্রণালয়” এর অর্থ বিভাগের পত্র নং-০৭.০০.০০০০.১২৯.০০.০০৩.১২-
এখানে আরো একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, তাঁরা ২,১৩,৮৯,৯৯৭/= টাকা “কোম্পানি ভাতা” হিসেবে টেলিটক থেকে নিলেও উক্ত ভাতার কোন আয়কর তাঁরা প্রদান করেন নাই। সুতরাং, টেলিটকে প্রেষণে আসা সকল কর্মকর্তাদের “কোম্পানি ভাতা” বাতিল করে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিকট হতে উল্লেখিত টাকা আদায় পূর্বক সরকারী কোষগারে জমা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। সকল উৎসের আয়কর তাঁরা নিজেরা দিবেন বলে টেলিটকের কাছে অঙ্গীকারনামা প্রদান করেছেন (কয়েকজন কর্মকর্তার অঙ্গীকারনামার চিঠি সংযুক্ত করা হলো)। কিন্তু তাঁরা উক্ত “কোম্পানি ভাতার” কোন আয়কর প্রদান করে নাই কেন, এইজন্য তাঁদের কাছ থেকে জরিমানাসাহ আয়কর আদায় এবং সরকারি চাকুরি বিধিমালা লংঘনের দায়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
বিষয়টি সম্পর্কে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. এম. হাবিবুর রহমানকে ফোন করলে তিনি কথা বলতে রাজী নন বলে জানান।
সংযুক্তিঃ
১) ২,১৩,৮৯,৯৯৭/= টাকা ভাতা নেওয়ার তথ্য (০১ পাতা)।
২) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের পত্র (০১ পাতা)।
৩) যারা এখনো “কোম্পানি ভাতা” নিচ্ছেন এরকম ২/৩ জনের অঙ্গীকারনামা।







