কেন নয় তার কারণ, বাঙালিদের রান্নাঘর খুব বড়লোক ছাড়া মডিউলার হয়না, হলেও তাতে এদিক-ওদিক শুকাতে দেওয়া ন্যা’ক’ড়া থাকবে, দেওয়ালে পাউডার দুধের আর চিপস এর প্যাকেট রাখা হবে, কোনায় একটা বঁ’টি থাকবে, আদা রসুন পেঁয়াজের ঝুড়ি থাকবে, সর্বোপরি ছেঁ’ড়া ন্যা’ক’ড়া, মুড়ির কৌটা, হাতা খু’ন্তি এদিক ওদিক থাকবেই।
এছাড়াও বাঙালিদের রান্না করার সময় এসব রোমান্সের অবকাশ থাকে না, ডাল রান্না করার আগে বাঙালিরা যে ফোড়ন দেয়, সেরকম সাদা চামড়ার কোনও দেশে দিলে, ফায়ার ব্রিগেড চলে আসবে !
এছাড়াও মাছ ভাজার সময় তেল ছিটকানো, আর মাংস কষানো সময় খু’ন্তি নাড়ানো এসব সময়ে রোমান্সের চিন্তা মাথায় আসে না, বরঞ্চ কেউ করতে গেলে মাথায় খু’ন্তি’র খোঁ’চা নিয়ে ফেরত আসতে হবে।
তাই এসব দেখে বিভ্রান্ত হবেন না আর খুব একটা ট্রাই ও করতে যাবেন না।
আপনি হঠাৎ করে আগ বাড়িয়ে বউকে কোলে তুলে, না দেখেই হুট করে সিঙ্ক এর উপর বসাতে গিয়ে সদ্য রুটি সেকা গ’র’ম তাওয়ার ওপর বসিয়ে দিলেন।
তাই খুব সা’ব’ধা’ন! 🙂








