ভারতে বাংলাদেশে আমরা দেখি বাপের মায়ের টাকা তে ছেলেরা মেয়েরা আনন্দ মস্তি করে জীবন কাটাচ্ছে।
।
।
কিন্তু পাশ্চাত্য সংস্কৃতি তে বাপেরা বাচ্চাদের টাকা তে আনন্দ মস্তি করে ও জীবন যাপন করে।
বিশ্ব বিখ্যাত ব্রাজিলের ফুটবলার নেইমার এর কথা সবাই জানেন। তার সম্পর্কে একটা নিউজ পড়ে অবাক হলাম।
।
স্যান্টোস থেকে বার্সেলোনায় নেমারের ট্রান্সফার নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে জলঘোলা হয়েছে। কর ফাঁকি, আর্থিক তছরূপের মতো একাধিক মামলা হয়েছে স্পেনের আদালতে। নেমার বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিসে যাওয়ার পরেও তাঁকে স্পেনের আদালতে হাজির হতে হয়েছে। বার্সেলোনায় সেই ট্রান্সফারের চুক্তির একটি শর্ত হঠাৎই প্রকাশ্যে এল, যা নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে ফুটবল মহলে। বলা হয়েছে, নেমারের বাবা নাকি বার্সেলোনাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তাঁকে মহিলাসঙ্গীর জোগান দিতে হবে। তবেই চুক্তিতে সই করতে দেবেন ছেলেকে।
( ছবি: নেইমার তার বাবার সঙ্গে )
।
এই তথ্য ফাঁস করেছেন স্যান্টোসের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট লুইস আলভারো দা অলিভিয়েরা রিবেইরো। বার্সেলোনায় আসার সময় নেমারের এজেন্ট ছিলেন তাঁর বাবাই। আট বছর আগেই এই দাবি করেছিলেন রিবেইরো, যা আবার প্রকাশ্যে এসেছে। নেমারের বাবার চূড়ান্ত সমালোচনা করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, লন্ডনের হোটেলে মহিলা, বিনামূল্যে কফি এবং ব্রাজিলের ম্যাচ দেখতে যাওয়ার জন্যে বিনামূল্যে বিমানের ব্যবস্থা করার দাবি করেছিলেন নেমারের বাবা। সেই দাবি পূরণ করার পরেই বার্সেলোনায় সই করার সবুজ সঙ্কেত মেলে।
।
ওই সাক্ষাৎকারে নেমারের বাবাকে অর্থপিশাচ বলেছিলেন রিবেইরো। তাঁর কথায়, “নেমারের চুক্তিতে বলা ছিল, ওর বাবাকে নিয়মিত মহিলাসঙ্গী দিতে হবে লন্ডনের পিকাডিলির একটি হোটেলে। কারণ নেমারের বাবা সব কিছু নিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। কোনও দিন কফির দাম দেয়নি। অন্তত ২০০ বার আমি ওর কফির দাম দিয়েছি। সেই চুক্তিতে মহিলাসঙ্গী ছাড়াও ব্রাজিলের ম্যাচ দেখতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা ছিল। ওর কাছে টাকার অভাব ছিল না। কিন্তু বার্সেলোনা নেমারের বাবার জন্য একজন লোককে ঠিক করে দিয়েছিল, যে সব চাহিদা মিটিয়ে দিত।”
নেইমারের বাবার মহিলা আসক্তি কিন্তু এই নতুন নয়। এর আগেও বহু বার তার নাম নারী কাণ্ডে জড়িয়েছে।
ভারতে বাংলাদেশে যারা বাপের টাকা তে মস্তি করছে তারা দেখে রাখুক যদি গাড়ির চাকা উল্টো ঘোরে তবে তাদের কি হবে।
।
।
ধন্যবাদ
শ্রীমতী লিলি বসু বিশ্বাস








