অথচ যে খাবার পাকস্থলীতে আছে— সেটাও স্বামীর।
যে স্মার্টফোন দিয়ে তারা অভিযোগ করে— সে অ্যান্ড্রয়েড, মেগাবাইট, ওয়াইফাই— সবই স্বামীর উপার্জনে চলে।
যে পোশাক পরিধান করে তারা তর্ক করে, সেটিও স্বামীর!
অর্থাৎ পুরুষের আশ্রয়ে থেকেই পুরুষের সাথে প্রতিনিয়ত বি’দ্রো’হে লিপ্ত!
এতকিছুর পরও চির অকৃতজ্ঞ, উন্মাদ প্রাণীদের দায়িত্ব পরিপক্বভাবে পালন করেই যাচ্ছে পুরুষ— জাতি।
পুরুষরা জানে— এই দায়িত্ব ম্যান্ডেটরি, তাদের উপর ফরজ।
কিন্তু স্ত্রীরা জানে না— স্বামীর আনুগত্য ফরজ, স্বামীর মুখের উপর তর্ক করা বেয়াদবি, স্বামীকে ক’ষ্ট দেওয়া— হারাম!
ভরনপোষণের ক্ষেত্রে স্বামীর অধীনস্থ মানলেও, আনুগত্যের ক্ষেত্রে তারা ঔদ্ধত্য ও বি’দ্রো’হ করে।
অর্থাৎ অধিকার চাইবে ঠিকি কিন্তু আনুগত্য করবে না!
কতটা হিপোক্রেট মাইন্ডসেট এ-জাতীর সিংহভাগ নারীর!
গোটা দুনিয়া এনে দিলেও শুকর বা কৃতজ্ঞ হবে না, একটা আবদার পূরণে ব্যর্থ হলে মুহূর্তেই সব ভুলে যাবে! বলবে—তোমার কাছে কখনো কিছুই পাইনি।
তর্কের একপর্যায়ে বলবে— আগে জানলে বিয়েই করতাম না। কী এমন দিয়েছো, তিনবেলা ভাত ছাড়া?
মানুষ দা’সী’কে’ও তিনবেলা ভাত, কাপড় দেয়…!!
আমি দেখে সংসার করি, অন্য মেয়ে হলে লা’থি মে’রে চলে যেতো— ইত্যাদি, ইত্যাদি!
অর্থাৎ তারা মুহূর্তেই ৫/১০ বছরের অবদান ভুলে যায়!
অথচ একজন পুরুষ দিনে ৮–১০ ঘণ্টা অক্লান্ত পরিশ্রম করে— শুধু স্ত্রী-সন্তানের সুখের জন্য! নিজের সুখ, আহ্লাদ বিসর্জন দেয়, স্ত্রী-সন্তানের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে গিয়ে।
এ-পরিশ্রমের ন্যূনতম মূল্য দিতেও তারা অস্বীকার করে!
স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান, আনুগত্য তো দূরের কথা— তার অক্লান্ত ত্যাগকে এমনভাবে অগ্রাহ্য করে, যেন স্বামী দাস, সে — কোনো মর্যাদারই যোগ্য না! গোয়ালের বলদ গরু।
বাংলাদেশে এমন হাজারো পুরুষ আছে— যারা প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী, না পারে বলতে, না পারে সইতে। নিরবে সহ্য করে! এই দেশে-তো ভাই— পুরুষ নির্যাতন আইনও নাই।
সাপ কাটার পর ওঝার কাছে গিয়ে ৩ ঘন্টা ধরে বিষ নামিয়েছে।ফলাফল নিউরোটক্সিনের প্রভাবে মৃত্যু।
সাপ কাটার পর ওঝার কাছে গিয়ে ৩ ঘন্টা ধরে বিষ নামিয়েছে। এরপর হাসপাতালে (ঝিনাইদহ) এসেছে। ফলাফল নিউরোটক্সিনের প্রভাবে মৃত্যু। ঘটনা...








