ছবির একটি দৃশ্যে আনোয়ারা গোসল করতে গেলে এলাকার বিত্তবান একজন লক্ষ করে এবং তাকে ভাত দেখিয়ে প্রলোভন দেখায়।তখন সে তাকে প্রত্যাখ্যান করলেও এক পর্যায়ে আর পারেনি।উপবাসে মেয়ের মৃত্যু, অভাবী স্বামীর গৃহ ছেড়ে বিত্তবান পুরুষের বাড়ি গিয়ে উঠেছিল সে শুধু ভাত খাওয়ার আশায়!
(ভাত দে ছিল কিংবদন্তী আমজাদ হোসেনের অনবদ্য আবিষ্কার)
অশনি সংকেত : ছবিতে সন্ধ্যা রায় খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে ছিলেন। সে তার বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে
শাকপাতা খেয়ে কোনোরকম জীবন অতিবাহিত করে।কিন্তু দেশে দুর্ভিক্ষ – মহামারি দেখা দিলে লতা, পাতা,শামুক খেয়েও যখন আর পারছিলনা
শেষে শরীরের একপাশ পুড়ে যাওয়া যে লোকটি তাকে চালের বিনিময়ে ইটের ভাটার পেছনে ডাকতো, যাকে সে বার বার ঘৃণার সাথে ফিরিয়ে দিতো, সেই লোকের কাছেই তাকে ফিরে যেতে হয়েছিল!
(অশনি সংকেত কিংবদন্তী সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত নির্মাণ। যেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিল আমাদের ববিতা।ছবিটি ১৯৪৩ সালে ভারতের দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে বানানো হয়েছিল)








