মনির হোসন,বরিশাল:
বরিশালে ছাত্ররাজনীতিতে এক পরিচিত ও সংগ্রামী নাম মো: আবদুল কাদের মোল্লা। বর্তমানে তিনি বরিশাল সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি সাধারণ নেতাকর্মীদের আস্থার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের আদর্শের সাথে পথচলায় আবদুল কাদের মোল্লা নিজেকে একজন নিবেদিতপ্রাণ ও সাহসী কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতিটি আন্দোলনে রাজপথ ছিল তার সার্বক্ষণিক ঠিকানা। জেল-জুলুম, দমন-পীড়ন আর রাজপথের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তিনি সবসময় আন্দোলনের সম্মুখভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আন্দোলনের এক পর্যায়ে তিনি কারাবরণ করলেও দমে যাননি; বরং কারাগারের সেই অভিজ্ঞতা তাকে আরও দৃঢ় ও আপসহীন করে তুলেছে।
২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। উত্তাল রাজপথে স্লোগান, মিছিলে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সহযোদ্ধাদের সাহস জোগানো—সবকিছুতেই তিনি ছিলেন একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। তার কণ্ঠে ছিল স্বৈরাচারবিরোধী প্রতিবাদের বজ্রকণ্ঠ আর হৃদয়ে ছিল নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন।
সহযোদ্ধাদের কাছে আবদুল কাদের মোল্লা শুধুমাত্র একজন নেতা নন, তিনি রাজপথের সংগ্রামের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, তিনি এমন একজন নেতা যিনি দুঃসময়ে কর্মীদের ফেলে যান না, বরং পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সাহস জোগান। আদর্শের প্রশ্নে তার এই আপসহীন ভূমিকা সাধারণ কর্মীদের মাঝে তাকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
বরিশালের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ছাত্রদলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে এমন ত্যাগী ও সংগ্রামী নেতৃত্বই সময়ের দাবি। আর সেই প্রত্যাশা থেকেই আবদুল কাদের মোল্লা আজ কেবল একজন প্রার্থী নন, বরং তিনি হয়ে উঠেছেন সাধারণ নেতাকর্মীদের আস্থা ও আগামীর উজ্জ্বল প্রতীক।##








