লায়ন মো: গনি মিয়া বাবুল হযরত মুহাম্মদ (সা.) একজন মহান পথপ্রদর্শক। তাঁর আগমন শুধু আরবের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নয়,...
Read moreDetailsএকদিকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, আর অন্যদিকে একজন ইতালীয় নারীর ছেলে রাহুল গান্ধী—তাদের মধ্যে এই পার্থক্য। জর্জিয়া মেলোনি, বয়স –...
Read moreDetailsপ্রিয় কন্যা, আজকে তিন পেরিয়ে চারে তোমার পা। এইতো সেদিন, অথচ ক্যালেন্ডারের পাতায় অনেকদিন। আনন্দের বন্যায় ভাসতেভাসতে কবে যে মানসস্মৃতিপটে...
Read moreDetailsগণপতি স্যার তাঁর স্ত্রী, পুত্র-কন্যাসহ নিজের ঘরেই খুনের শিকার হয়েছেন। আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে বারো বছরের আয়ুশ চক্রবর্তীর...
Read moreDetailsসম্প্রতি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য ড. নুরুল ইসলাম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের যোগ্যতা ও গবেষণা নিয়ে একটি বিতর্কিত...
Read moreDetailsআশুতোষ সরকার আশুতোষ সরকার bangla.thedailystar.net এখনো শেষ হয়নি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারকাজ। ১৯ বছর আগে ২০০৪ সালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু...
Read moreDetails২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা…। প্রশ্ন শেষ করার আগেই এটুকু শুনে কেঁপে ওঠেন দৌলতুন নাহার। তার চোখে-মুখে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যন্ত্রণা...
Read moreDetailsপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি যুক্ত করায় বাংলাদেশের সমালোচনা করেছেন...
Read moreDetails।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।। জ্বালানি তেল আমদানি, বিপণন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার উদ্যোগ...
Read moreDetailsকয়েক সেকেন্ডের কম্পনেই একটি রাষ্ট্রের সক্ষমতা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়তে পারে। ভূমিকম্পের পরে উদ্ধার নয়, বিপর্যয়ের আগেই জীবন বাঁচাতে হবে। - মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ (অব.) ঢাকা শুধু ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে নেই; অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দুর্বল ভবন, সরু রাস্তা, যানজট, গ্যাসলাইন, পানির সংকট, ঘনবসতি এবং সমন্বয়হীন জরুরি ব্যবস্থাপনা; সব মিলিয়ে আমরা যেন প্রতিদিন একটি সম্ভাব্য মহাবিপর্যয়ের মঞ্চ প্রস্তুত করছি। ভূমিকম্প দরজায় কড়া নেড়ে আসে না। আগুনের মতো তার ধোঁয়া দেখা যায় না, বন্যার মতো পানি বাড়ার পূর্বাভাসও মেলে না। কয়েক সেকেন্ডের কম্পনেই একটি শহরের বহু বছরের উন্নয়ন, হাজারো পরিবারের স্বপ্ন এবং একটি রাষ্ট্রের সক্ষমতা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়তে পারে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সতর্ক করেছেন- বড় ভূমিকম্পে ঢাকার বহু এলাকায় উদ্ধারকারী দলের পৌঁছানো কঠিন হবে; কোথাও কোথাও উদ্ধার অভিযান চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে। তার এ বক্তব্যকে একটি সংস্থার সীমাবদ্ধতার স্বীকারোক্তি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি আসলে আমাদের নগরসভ্যতার স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন; যেখানে রোগ বহু পুরোনো, কিন্তু চিকিৎসা এখনো খণ্ডিত। দশ মিনিটের পথ যেখানে এক ঘণ্টা: ঢাকার দুর্যোগঝুঁকির সবচেয়ে নির্মম দিক হলো, বিপদ শুধু ভবনধসে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বড় ভূমিকম্পের পর ধসে পড়া ভবন, বন্ধ সড়ক, বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-সংযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাসলাইন, অগ্নিকাণ্ড, পানির সংকট, আতঙ্কিত জনতা এবং হাসপাতালের ওপর অস্বাভাবিক চাপ; সবকিছু একই সময়ে ঘটতে পারে। সাধারণ অবস্থায় যে পথ অতিক্রম করতে ১০ মিনিট লাগার কথা, যানজটে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের এক ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যেতে পারে। ভূমিকম্পের পর সেই রাস্তা ধ্বংসস্তূপ, পরিত্যক্ত গাড়ি কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত উড়ালসড়কের কারণে আদৌ চলাচলযোগ্য থাকবে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন। ফায়ার সার্ভিস ঢাকার ৪১টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ উদ্ধার সরঞ্জাম ছড়িয়ে রেখেছে। সারা দেশের ১০০টি ফায়ার স্টেশনও চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখান থেকে প্রয়োজন হলে রাজধানীতে সহায়তা পাঠানো হবে। উদ্যোগগুলো সময়োপযোগী। কিন্তু, ঢাকার প্রবেশপথ, সেতু ও মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাইরের দল কীভাবে পৌঁছাবে? একই সময়ে শত শত বা হাজারো স্থানে সাহায্যের প্রয়োজন হলে ৪১টি সরঞ্জামকেন্দ্র কি সচল থাকবে? সেখানে কি প্রশিক্ষিত জনবল, বিকল্প বিদ্যুৎ, যোগাযোগ এবং পরিবহনের ব্যবস্থা থাকবে? দুর্যোগ প্রস্তুতিতে সরঞ্জাম কেনা তুলনামূলক সহজ: কঠিন হলো সরঞ্জামের চারপাশে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা। একটি কাটার, ক্যামেরা, ড্রোন বা উদ্ধারযন্ত্র নিজে জীবন বাঁচায় না। জীবন বাঁচায় প্রশিক্ষিত মানুষ, দ্রুত সিদ্ধান্ত, নিরাপদ প্রবেশপথ, নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ এবং সমন্বিত নেতৃত্ব। ফায়ার সার্ভিস একা পুরো রাষ্ট্রকে উদ্ধার করতে পারবে না। আমাদের মধ্যে একটি বিপজ্জনক ধারণা রয়েছে। আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস, ভবন ধসলে ফায়ার সার্ভিস, রাসায়নিক দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস; এমনকি ভূমিকম্পে পুরো মহানগর বিপর্যস্ত হলেও যেন ফায়ার সার্ভিসই সব সামলে নেবে। ফায়ার সার্ভিস নিঃসন্দেহে উদ্ধার অভিযানের অগ্রবর্তী ও অপরিহার্য শক্তি। কিন্তু, বড় ভূমিকম্পে তাদের স্টেশনও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কর্মীরা হতাহত হতে পারেন, গাড়ি বের করার পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে, পানির উৎস অকার্যকর হতে পারে এবং যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে একা ফায়ার সার্ভিসের ওপর দায়িত্ব চাপানো উত্তাল সমুদ্রে একটি লাইফবোট দিয়ে পুরো জাহাজের যাত্রীদের বাঁচানোর চেষ্টা করার মতো। ধ্বংসস্তূপে শুধু ফায়ার সার্ভিস নয়, নামতে হবে গোটা রাষ্ট্রকে। প্রয়োজন জাতীয় ভূকম্পন জরুরি অভিযানব্যবস্থা: বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা ও কমিটি রয়েছে। কিন্তু, একটি মহানগরব্যাপী ভূমিকম্পের জন্য প্রয়োজন স্থায়ী, সক্রিয় এবং ...
Read moreDetails[wps_visitor_counter]
[wps_visitor_counter]
© ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob
© ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob