আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীতে সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ফের মিথ্যাচার দিয়ে নতুন বছর শুরু করেছে এমপিবিরোধী (নৌকা) হিসেবে পরিচিত কথিত সেভেনস্টার গ্রুপের অনুগত চক্র। স্থানীয়রা জানান, দেশে সাধারণ নির্বাচনের মৌসুম আসলেই। জামায়াত-বিএনপির মদদপুষ্ট চক্রটি জনপ্রিয় সাংসদের টার্গেট করে তাদের
বিরুদ্ধে গায়েবী খবর নিয়ে রাজনীতির মাঠে আবির্ভূত হয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি।
সূত্র জানায়, বিগত বছর জুড়েই আলোচনায় ছিল ‘এমপি ফারুক চৌধুরীর শিক্ষক পেটানো’ শিরোনামে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন খবর করে তা সত্য বলে প্রচার করতে গিয়ে তারা ফের ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে চক্রটির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষেরাও বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
খবরে বলা হয়েছে এমপি ১৫ মিনিট ধরে হকিস্টিক দিয়ে একজন অধ্যক্ষকে পিটিয়েছেন, একজন মানুষকে ১৫ মিনিট ধরে হকিষ্টিক দিয়ে পেটানোর পর তার কি অবস্থা হতে পারে ? অথচ যেই শিক্ষককে ভিকটিম সাজানো হয়েছে, সে শিক্ষক নিজেই সংবাদ সম্মেলন করে বলছেন,এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। অথচ সাজানো অডিও ক্লিপ দিয়ে মিথ্যাকে সত্য বলে প্রমাণ করতে তারা মরিয়া। কিন্ত্ত ডিজিটাল যুগে যেকারো কন্ঠ নকল করা যায় বলে তা আদালতের কাছে এখানো গ্রহণযোগ্য নয়। তাহলে জোর করে কেনো সেটা প্রচার করা হচ্ছে। যেখানে সংসদীয় এলাকার সকল প্রশাসন সাংসদদের অধীনে সেখানে একজন সাংসদ কেনো নিজে মারপিট করতে যাবেন। আর ১৫ মিনিট ধরে হকিষ্টিক দিয়ে পেটানোর পর সেই ব্যক্তির কি সুস্থ থাকার কথা ? স্থানীয়রা বলছে, শিক্ষকের অস্বীকার করার পরেও চক্রটি অতি উৎসাহী হয়ে বার বার একই ঘটনা ঘটাচ্ছেন কেনো ? বা কার স্বার্থে ? সাধারণ মানুষের মনে এই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বছরের শুরুতেই জামায়াত-বিএনপির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগের কিছু বিপদগামী নেতার সমন্বয়ে গড়ে উঠা একটি সিন্ডিকেট চক্র এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে এসব প্রোপাগান্ডা ও গায়েবী অভিযোগ উঙ্খাপন করে তার পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ ক্ষুন্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এদিকে জননন্দিত ও গণমানুষের নেতা এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে একের পর এক এসব গায়েবী খবর প্রচারে এই জনপদের সাধারণ মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য রাজশাহী-১ আসন আয়তনের দিক দিয়ে দেশের ৮ম বড় এলাকা। বিশাল আয়তনের এই এলাকার সাধারণ মানুষের সাংসদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নাই। কিন্ত্ত হাতে গোনা
বিতর্কিত কতিপয় গণমাধ্যম, গণমাধ্যমকর্মী ও রাজনৈতিক নেতারুপী চিহ্নিত মতলববাজ গোষ্ঠী। এমপির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত ব্যতিত একই গোষ্ঠি, ব্যক্তি ও একই মাধ্যমে বার বার এসব প্রচার করায় তা মিথ্যা বানোয়াট বলেই প্রমানিত হয়েছে। তাদের মুল টার্গেট এমপি ফারুক চৌধুরীকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে আওয়ামী লীগকে দুর্বল করা বলে অভিমত তৃণমুলের।
জানা গেছে, রাজশাহী-১ ভিআইপি সংসদীয় আসনে একটানা তিনবারের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, সিআইপি,সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক, শহীদ পরিবারের সন্তান, জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনার ভাগ্নে এবং বৃক্ষরোপণে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মহামান্য রাস্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পুরুস্কৃত নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে রাজনীতিতে তার আত্মপ্রকাশ।অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে নেমে এসে ফারুক চৌধুরীর রাজনীতি শুরু। অথচ এমন একজন সম্মানিত মানুষের বিরুদ্ধে বার বার কেনো মিথ্যাচার, যারা এসব করছে তারা কারা,একই চক্র-গোষ্ঠী ও একই মাধ্যম কেনো বার বার এসব করছে, এদের উদ্দেশ্যে কি ? বিলাস ও প্রচার বিমূখ, সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি, কর্মী-জনবান্ধব, আদর্শিক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশস্ত নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে ফের বানোয়াট, মিথ্যা-ভিত্তিহীন ও মানহানিকর খবর উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ভাবে প্রচার করা হচ্ছে।
Views: 274
Related