রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় দন্ত চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণার দায়ে মো. মেহেদী হাসান নামের এক ভুয়া ডাক্তারকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২৭ মে শনিবার দুুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ চরিমানা করেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুজ্জামান। ভুয়া দন্ত চিকিৎসক মেহেদী হাসান পলাশবাড়ী উপজেলার চৌমাথা এলাকার সায়েদ মিয়া ছেলে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুয়া ডিগ্রী ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে দন্ত চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে দাঁতের চিকিৎসা করে আসছিলেন মেহেদী হাসান। তিনি পলাশবাড়ী পৌরসভার চৌমাথায় অবস্থিত ডেন্টাল কেয়ার পয়েন্টে নিয়মিত রোগি দেখতেন। বিষয়টি জানার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুজ্জামান শনিবার দুপুরে ডেন্টাল কেয়ার পয়েন্টে অভিযান চালান। এ সময় মেহেদী হাসান প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে মেডিকেল এ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০-এর ২ ধারা অবমাননার দায়ে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. মাহাবুব আলম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন থেকে ভুয়া সনদ ব্যবহার করে জনগণকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। তার এক লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
জমি না দিয়েই মহাসড়কের অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
বায়েজিদ পলাশবাড়ী গাইবান্ধা) : পলাশবাড়ীতে মুনছুর আলীর বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ না হলেও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মুনছুর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির অংশীদাররা। অভিযোগ রয়েছে, পলাশবাড়ী পৌর শহরের নুনিয়াগাড়ী মৌজার সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগ এবং বর্তমান ৮৩১ নম্বর দাগের ০.০৯৪৮ একর জমির বিপরীতে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৪৩২ টাকা অধিগ্রহণের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ওই পরিমাণ জমি বাস্তবে মহাসড়কের জন্য অধিগ্রহণ বা হস্তান্তর করা হয়নি। ভুক্তভোগী রেখা বেগমসহ অন্যান্য অংশীদারদের অভিযোগ, সাসেক প্রকল্প-২ সংশ্লিষ্টদের আপত্তি, অন্যান্য অংশীদারদের আপত্তি এবং এলএমসি কেস নং ২৭০/২০২৩-২০২৪ ও এলএ কেস নং ১১/২০১৯-২০২০-এর বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না করেই মুনছুর আলীর নামে অধিগ্রহণের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টি যথাযথভাবে সরেজমিন যাচাই না করে কাগজপত্রের ভিত্তিতে অর্থ ছাড় করা হয়েছে। দলিলের হিসাবেও উঠছে প্রশ্ন অভিযোগকারীদের দেওয়া কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, নুনিয়াগাড়ী মৌজার এসএ খতিয়ান-১৬, আরএস খতিয়ান-২৫ এবং জেএল নম্বর-৬৯-এর সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগে মুনছুর আলীর বাবা মৃত মোফাজ্জল হোসেন ১৯৫৩ সালের ২১ জানুয়ারি ৪২৫ নম্বর দলিলের মাধ্যমে মোট ১২৭ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১৯ নভেম্বর ০১/৬৯ নম্বর কেসের মাধ্যমে সড়ক বিভাগের কাছে ৩২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে এতে মোফাজ্জল হোসেনের নামে অবশিষ্ট থাকার কথা ৯৫ শতাংশ জমি। এরপর ২০০২ সালে বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে ওই জমির একটি অংশ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয় ২১৬৯ নম্বর দলিলে ছেলে আল মামুনকে ৩৯ শতাংশ, ২১৭০ নম্বর দলিলে স্ত্রী হালিমা বেগমকে ৩ শতাংশ এবং ২১৯৪ নম্বর দলিলে দুই মেয়ে রোকেয়া বেগম ও শাহিনা পারভীনকে পৃথকভাবে ৫ শতাংশ করে মোট ১০ শতাংশ জমি দেওয়া হয়।...







