বায়েজীদ (পলাশবাড়ী) গাইবান্ধা :
এক মুঠো ধান থেকে গোলাভরা ধানে ভরাতে সময় লাগে ১২০ দিনের মতো।আর মাটির বুক চিরে কলার চারাগাছ রোপণ করে ফসল ফলাতে সময় লাগে ১ বছর।
কিন্তু ফসল যখন ঘরে তোলার সময় ঠিক তখনই যেনো মাথায় বাঁশ।বৈশাখ মাস শেষের দিকে চলতি ইরি মৌসুম ধান ঘরে তোলার সময়।আর ঠিক সেই সময়েই ইটভাটার মালিকরা তাদের ভাটার কাজ শেষ করে নিজের পকেট ভরে ভাটার গ্যাস ছেড়ে নষ্ট করছে কত-শত ফসলি জমি তা যেনো দেখার কেউ নাই।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় পলাশবাড়ী পৌরসভার জগরজানি গ্রামে ঘনবসতি কৃষি কাজে নিয়জিত এলাকায় এই ভাটা।
ভাটার ঠিক কোয়ার্টার কিঃমিঃ পশ্চিমেই চোখে পড়বে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।এক বিন্দু পরিমাণ অনাবাদি জমি নেই,সবুজে সমাহার সবটুকু।প্রভাবশালী সাইফুল মন্ডলের ইট ভাটা বন্ধ করেছে দুই চার দিন আগে।
সেই ভাটা বন্ধের বিষাক্ত গ্যাস ফসলি জমিতে গিয়ে নষ্ট করেছে ধান,কলা,পান বরজ ইউক্লিপটার্স,বাঁশ,নারিকেল গাছ সহ অনেক কিছু।যা কৃষকের স্বপ্ন ধ্বংসই নয়,কেরে নিয়েছে তাদের পরিবারের মুখের খাবার।কিন্তু ভাটার মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় প্রতিবাদ করার সাহস কারো নেই।তাইতো বুকে পাথর চেপে নিরবে মেনে নিতে হচ্ছে।
এমন এলাকায় ইটভাটা বন্ধ না করলে প্রতি বছর পুড়বে কৃষকের স্বপ্ন। এখনি বিষয়ে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভাটা বন্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।
পাশাপাশি অবিলম্বে ইটভাটা বন্ধে পৌর মেয়রসহ স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Views: 342
Related