আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী
গোদাগাড়ী উপজেলার গোগ্রাম ইউনিয়নের (ইউপি) হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক
মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে জড়িয়ে মিথ্যা-ভিত্তিহীন-বানোয়াট খবর প্রকাশ এবং তাকে জড়িয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে একটি মহল দীর্ঘদিন যাবত তার বিরুদ্ধে একের পর এক মনগড়া ও মানহানিকর প্রচারণা করে আসছে। এমনকি (সাময়িক বরখাস্ত) প্রধান শিক্ষক মাসদার হোসেনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও অভিভাবক গণ যেসব বক্তব্য দিয়েছেন সেগুলোকে সেখানো বলা হয়েছে। তাহলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকও তার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন তাকে কে সেখালো। এমনকি অভিভাবকগণ তার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন তাদের কে সেখালো। আসলে তারা প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে ভিন্নখাতে প্রভাবিত ও ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি এমপির নাম ভাঙিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যে ও অভিভাবকদের তোপের মুখে সেই শিক্ষক ইত্যাদি শিরোনামে তাকে জড়িয়ে মানহানিকর খবর প্রচার করা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাওঃ আবুল কালাম আজাদ সহকারী শিক্ষক ও নিয়োগ কমিটির সদস্য। স্কুলের সভাপতি মতিউর রহমান ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোজাহার আলী। তাহলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যে করলেন কি ভাবে ? এছাড়াও যেখানে নিয়োগপ্রাপ্তরা নিজেরা বলছে তারা কাউকে কোনো টাকা-পয়সা দেননি। সেখানে এমপির নাম ভাঙিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের কথা আসছে কেনো ? আবার কখানো বলা হচ্ছে এমপির প্রভাব খাটাচ্ছে ! কতো বড় অর্বাচীন হলে কেউ এমন কথা বলতে পারে। একজন এমপি যদি প্রভাব খাটায় তাহলে কি ? স্কুলের একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চাকরি করতে পারে ?
স্থানীয়রা জানান, স্কুলের (ভারপ্রাপ্ত)
প্রধান শিক্ষক মোজাহার আলী এমপিবিরোধী ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান আখতার মতাদর্শী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। ফলে আকতারের নিকট আত্মীয় ও তার পচ্ছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষক কালামকে জড়িয়ে এমপিকে বির্তকিত করতে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোজাহার এসব করাচ্ছেন। তিনি এক ঢিলে দুই পাখি শিকার করছেন। একদিকে আবুল কালামকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করা,অন্যদিকে তার সঙ্গে এমপিকে জড়িয়ে বির্তকিত করা। এমপিবিরোধী চক্র আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এটাকে একটি ইস্যু করাতে মোজাহারকে দিয়ে এসব করানো হচ্ছে।এবিষয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপত মতিউর রহমান বলেন, টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। অনেকে অনেক কথায় বলতে পারে। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ বলেন, তিনি কোনো শিক্ষককে কোনো কিছুই বলেননি। হুমকি ধামকির বিষয়টি মিথ্যা। চাকরি না হলে যে কেউ কোনো অভিযোগ তুলতেই পারেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোজাহার আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল গ্রহণ করেননি।#
Views: 350
Related