রংপুর ব্যুরো: চরাঞ্চলের মানুষদের নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে গণশুনানি শেষে গাইবান্ধায় সাংবাদিকদের সাথে উদ্যোক্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২২ মার্চ বুধবার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) ও সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিষ্ট ফোরামের(এসএসিসিএফ) আয়োজনে জিইউকে’র প্রধান কার্যালয় নশৎতপুরে মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মূল বক্তব্য রাখেন পানি ও জলবায়ু বিজ্ঞানী ড. আইনুন নিশাত। সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিষ্ট ফোরাম’র নির্বাহী পরিচালক কেরামত উল্যাহ বিপ্লবের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম’র সভাপতি আশীষ গুপ্ত (ভারত), গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী প্রধান এম আব্দুস সালাম, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় জেলার নদী ভাঙন, বন্যা, খরা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দূর্যোগ, নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণসহ নদী তীরবর্তী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মজবুত করণ, ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পূণঃবাসন ও চরাঞ্চলে উঁচু ভিটা তৈরী করে গৃহনির্মাণের কথা তুলে ধরেন সাংবাদিক গোবিন্দলাল দাস, কেএম রেজাউল হক, উত্তম কুমার, আশরাফুল ইসলাম প্রমূখ। এ সময় ড. আইনুন নিশাত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে ১১টি বিষয় নিয়ে দেশে কাজ চলছে। যা সমাধান করলে জলবায়ুর প্রভাবে যে ক্ষতি হচ্ছে তা মোকাবেলা করা সম্ভব। উল্লেখ্য, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে গত মঙ্গলবার গণ উন্নয়ন কেন্দ্র ও সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিষ্ট ফোরাম’র আয়োজনে গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানী ইউনিয়নের চরে অবস্থিত কুন্দেরপাড়া হাইস্কুল মাঠে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এমপি। ওই শুনানিতে গাইবান্ধার তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার ১শত ৬৫টি দ্বীপচর ছাড়াও লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।
ডোমারে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারীতে সদ্য যোগদানকৃত জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবিরের সাথে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত...








