রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা হাঁড়িভাঙ্গা আমের রাজ্য হিসেবে পরিচিত। চলতি মৌসুমে আমের এ রাজ্যে সবুজ আর হলুদের মহামিলন ঘটেছে। আম গাছের ডালপালার সবুজ পাতায় শোভা পাচ্ছে হলুদ মুকুল। বাতাসে মৌ মৌ গন্ধ জানিয়ে দিচ্ছে মধু মাসের আগাম বার্তা। মিঠাপুকুর উপজেলার আমবাগানগুলো সেজে উঠছে পূর্ণতার আশায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে বা¤পার ফলনের আশা করছে আম চাষিরা। মিঠাপুকুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার ৫শত কোটি টাকার আম বিক্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে যা গতবারের চেয়ে ১শত কোটি টাকার বেশী। মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে প্রতিটি আমের বাগান। থোকায় থোকায় সজ্জিত মুকুলের দৃশ্যে বদলে গেছে প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র। আর ভালো ফলন পাওয়ার আশায় বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে চাষিরা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার অনেকটা আগাম মুকুল দেখা গেছে। গাছে মুকুল আসার প্রায় দুই সপ্তাহ আগে থেকেই পরিচর্যা শুরু করছে চাষিগণ। রোগ বালাইয়ের হাত থেকে মুকুল রক্ষায় চাষিরা কৃষি কর্মকর্তাদের কাছে পরামর্শ নিচ্ছে। বা¤পার ফলনের আশায় ¯েপ্র পদ্ধতিতে প্রয়োগ করছে বিভিন্ন বালাইনাশক। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি কর্মকর্তাগণ। খোড়াগাছ ইউনিয়নের আখিরারহাট এলাকার কৃষক রওশন মিয়া বলেন, বাগানের অনেক গাছে মুকুল এসেছে। আবার কোন কোন গাছে মুকুল এখনো আসে নাই। তবে কয়েকদিনের মধ্যে সবগুলো গাছে মুকুল আসবে। কৃষি অফিসার এসে পরামর্শ দিয়েছে। সেভাবেই ঔষধ ও ¯েপ্র করছি । খোড়াগাছ ইউনিয়নের রূপসী সর্দারপাড়া গ্রামের কৃষক জুয়েল মিয়া বলেন, গতবারের চেয়ে এবার একটু আগেভাগেই মুকুল এসেছে। আমের গুটি ধরা থেকে আম ছেড়া পর্যন্ত ঔষধ ও কীটনাশক ¯েপ্র করতে হয়। রানীপুকুর ইউনিয়নের জুমা জলসত্তর গ্রামের কৃষক আল আমিন বলেন, বাগানে এখন পরিচর্চা করছি। এবার ফলন ভালো হবে এবং দামও ভালো পাওয়া যাবে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আব্দুল্লহ আল মাসুদ তুষার বলেন, চলতি মৌসুমে প্রায় ১ হাজার ৫ শত হেক্টর জমিতে আমের চাষ হচ্ছে। যার সম্ভাব্য ফলন প্রায় ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। মিঠাপুকুর উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়নের পদাগঞ্জ হাঁড়িভাঙ্গা আমের জন্য প্রসিদ্ধ। এছাড়াও উপজেলার ময়েনপুর, রানীপুকুর, চেংমারী, বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়নে দিন দিন আম চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল আবেদীন বলেন, মিঠাপুকুর হাঁড়িভাঙ্গা আমের জন্য বিখ্যাত। যেহেতু ফুল আসছে এজন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মিঠাপুকুরের পক্ষ থেকে চাষিদের ছত্রাক নাশক ¯েপ্র করার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত প্রেসক্রিপশন দিয়ে যাচ্ছি। গত বছর প্রায় ৪শত কোটি টাকার আম মিঠাপুকুর থেকে বিক্রয় করা হয়েছে। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে এবার ৫শথ কোটি টাকার আম বিক্রয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রংপুর বিভাগে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় রেঞ্জ ডিআইজির কৃতজ্ঞতা
মোঃবুলবুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আব্দুল মাবুদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে রংপুর রেঞ্জের আওতাধীন আট জেলার পূজামণ্ডপগুলোতে শারদীয়...








